নবজাতকের যত্ন

Care of the newborn should begin immediately after birth with Breastfeeding. For the first 6 months after birth, there is no substitute for mother’s milk. It is essential for good health and balanced development of the child. So make sure to give breast milk to the baby in any situation.

Ongoing Breast Milk Donation Week, Breast Milk Week is celebrated every year from the 1st to the 7th of August. The theme of World Breastfeeding Week 2023 is ‘Enabling breastfeeding – making a difference for working parents’. The day is celebrated internationally every year to encourage mothers to breastfeed.

Breast milk is unmatched in reducing infant mortality. According to the World Health Organization, breastfeeding is one of the ways to reduce infant mortality and boost the child’s immune system.

Mother’s milk contains all the necessary elements for the baby’s complete nutrition and disease prevention. Breastfeeding within 1 hour of birth reduces mortality by 31 percent. Exclusive breastfeeding (not even a drop of water) up to 6 months of age reduces the risk of infant mortality by another 13%. It is essential to take milk as the first food of the baby. It acts as the baby’s first vaccination and boosts immunity. Up to 6 months of age, all the components of the baby’s body growth and intellectual development are present in the mother’s milk.

Four key tips for positioning your baby in the right breastfeeding position

·  The baby’s head and body are in the same line.

·  The baby’s body is closely attached to the mother.

·  The baby’s entire body is held securely.

·  When the baby latches on to the breast, his nose is along the nipple.

Illness of child and absence from work of parents:

Economic issues of the family and the country are also related to the well-being of the child. As a successfully breastfed baby gets sick less than others, it has a stronger immune system. As a result, the cost of treatment related to his illness was saved. Parents also do not have to be absent from work repeatedly due to their child’s illness.

Support of environment and authorities:

The workplace readiness, environment, and support from authorities to ensure exclusive breastfeeding are often absent. As a result, many working mothers do not have the opportunity to breastfeed their children even if they want to. As a result, he was forced to feed packet milk. In this, the child gets sick again and again, so the quality and time deviation of their own work is greater.

Breastfeeding Booth:

To ensure that a baby is never deprived of breast milk, it is essential to have a ‘breastfeeding booth’ or zone anywhere including shops, hospitals, bus counters, railway stations, or airports. Where a mother can safely breastfeed her baby.

Family Support:

Help from other family members in child care is very important. Breastfeeding should be ensured even if the mother goes to work. For that, while going to work, the mother will express the breast milk and leave it in a clean container with a lid, which will be spoon-fed to the child by the childcare member in the mother’s absence.

Assistance to the appointing authority:

Support from the employing authority is most important for a working mother. The appointing source can assist working mothers in some issues in its office for the greater good. For example:

·  Establishing a dedicated child-friendly place or daycare for taking care of children in the office.

·  Allowing the mother to breastfeed at regular intervals.

·  Creating a ‘baby and working mother’ friendly office, where everyone can talk and collaborate to support the working mother and her baby.

বাংলায় পরুনঃ

জন্মের পরপরই নবজাতকের যত্ন শুরু হোক শাল দুধ দিয়ে। জন্মের পর প্রথম ৬ মাস শিশুর জন্য মায়ের দুধের বিকল্প কোনো খাবার নেই। শিশুর সুস্বাস্থ্যের ও সুষম বিকাশের জন্য এটি অপরিহার্য। তাই যে কোন পরিস্থিতিতেই শিশুকে মাতৃদুগ্ধ দান নিশ্চিত করুন।

চলছে মাতৃদুগ্ধ দান সপ্তাহ, প্রতি বছর ১ থেকে ৭ আগস্ট পর্যন্ত উদ্‌যাপিত হয় মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ। বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ-২০২৩-এর প্রতিপাদ্য বিষয় ‘কর্মজীবী মাতার জন্য মাতৃদুগ্ধ দানের অধিকার তৈরি করা’। মায়েদের বুকের দুধ খাওয়ানোর প্রতি উৎসাহ জোগাতে প্রতি বছর দিবসটি আন্তর্জাতিক ভাবে পালন করা হয়।

নবজাতক শিশু মৃত্যুর হার কমাতে মাতৃদুগ্ধ অতুলনীয়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুসারে বলতে গেলে মাতৃদুগ্ধ পান একটি অন্যতম পন্থা যা শিশুমৃত্যুর হার কমানো ও বাচ্চার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করে।

মায়ের দুধের মধ্যে শিশুর পরিপূর্ণ পুষ্টি ও রোগ প্রতিরোধের জন্য প্রয়োজনীয় সব উপাদানই বিদ্যমান। শিশুজন্মের ১ ঘণ্টার মধ্যে মায়ের দুধ খাওয়ালে মৃত্যুর হার শতকরা ৩১ ভাগ কমে যায়। আর ৬ মাস বয়স পর্যন্ত শুধু মায়ের দুধ খাওয়ালে (এক ফোঁটা পানিও না) শিশুমৃত্যুর ঝুঁকি আরও ১৩% কমে যায়। শিশুর প্রথম খাবার হিসেবে শালদুধ গ্রহণ অপরিহার্য। এটি শিশুর প্রথম টিকা হিসেবে কাজ করে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। ৬ মাস বয়স পর্যন্ত শিশুর দেহের বৃদ্ধি ও মেধা বিকাশের সব উপাদান মায়ের দুধে বিদ্যমান।

শিশুকে মায়ের দুধ খাওয়ানোর সঠিক অবস্থানে রাখার জন্য চারটি মূল তথ্য

  • শিশুর মাথা ও শরীর একই রেখায় আছে।
  • শিশুর শরীর মায়ের গায়ে নিবিড়ভাবে লেগে আছে।
  • শিশুর পুরো শরীর নিরাপদভাবে ধরা আছে।
  • শিশু যখন স্তনের দিকে আগাচ্ছে তখন তার নাক বোঁটা বরাবর থাকে।

শিশুর অসুস্থতা মাবাবার কর্মক্ষেত্রে অনুপস্থিত:

শিশুর সুস্থতার সঙ্গে পরিবার ও দেশের অর্থনৈতিক বিষয় ও জড়িত। যেমন সফলভাবে বুকের দুধ খেতে পারা একটি শিশু অন্যদের চেয়ে কম অসুস্থ হয়, তার রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বেশি থাকে। ফলে তার অসুস্থতাজনিত চিকিৎসার ব্যয় বেঁচে যায়। শিশুর অসুস্থতার জন্য মা-বাবাকেও বারবার কর্মক্ষেত্রে অনুপস্থিত থাকতে হয় না।

পরিবেশ কর্তৃপক্ষের সহায়তা:

শিশুকে শুধুই বুকের দুধ খাওয়ানোর বিষয়টি নিশ্চিত করতে হলে কর্মক্ষেত্রের যে প্রস্তুতি, পরিবেশ ও কর্তৃপক্ষের যে সহায়তা থাকা দরকার, অনেক ক্ষেত্রে তা অনুপস্থিত থাকে। ফলে অনেক কর্মজীবী মা তাঁর ইচ্ছে থাকলেও সন্তানকে বুকের দুধ খাওয়ানোর সুযোগ হয়ে উঠে না। ফলে প্যাকেট জাত দুধ খাওয়াতে বাধ্য হন। এতে সন্তান বারবার অসুস্থ হয়, যাতে নিজের কাজের গুণগত ও সময়গত বিচ্যুতি বেশি হয়।

ব্রেস্টফিডিং বুথ:

একটি শিশু যাতে কখনোই বুকের দুধ থেকে বঞ্চিত না হয়, সে জন্য বিপণিবিতান, হাসপাতাল, বাস কাউন্টার, রেলস্টেশন বা বিমানবন্দরসহ যেকোনো জায়গায় একটি ‘ব্রেস্টফিডিং বুথ’ বা জোন থাকা জরুরি। যেখানে একজন মা নিশ্চিন্তে শিশুকে বুকের দুধ খাওয়াতে পারবেন।

পরিবারের সহায়তা:

শিশু যত্নে পরিবারের অন্য সদস্যদের সহায়তা খুবই জরুরি। মা কাজে গেলেও শিশুকে যেন বুকের দুধ খাওয়ানো নিশ্চিত করা যায়। সে জন্য কাজে যাওয়ার সময় মা বুকের দুধ বের করে পরিষ্কার ঢাকনাওয়ালা পাত্রে রেখে যাবেন যা মায়ের অবর্তমানে বাচ্চার পরিচর্যার নিয়োজিত সদস্য শিশুকে চামচ দিয়ে সেই দুধ খাইয়ে দেবেন।

নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষের সহায়তা: 

কর্মজীবী একজন মায়ের জন্য নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষের সহায়তা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ বৃহত্তর স্বার্থে তার অফিসে কর্মজীবী মায়েদের কিছু বিষয় সহায়তা করতে পারেন । যেমন :

  • অফিসে শিশুদের দেখাশোনা করার জন্য নির্দিষ্ট একটা শিশুবান্ধব জায়গা বা ডে কেয়ার তৈরি করে দেয়া।
  • মাকে দুধ খাওয়ানোর জন্য নির্দিষ্ট বিরতিতে সুযোগ দেওয়া।
  • ‘শিশু ও কর্মজীবী মা’বান্ধব অফিস তৈরি করা, যেখানে সবাই কর্মজীবী মা ও তাঁর শিশুর সহায়তার কথা বলবে ও সহযোগিতা করবে।

care nutrition

See all author post

Leave a Comment

Your email address will not be published.